ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ২ পিস ইয়াবাসহ ফয়সাল হোসেন (২৩) নামে এক যুবককে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার উমরাডাঙ্গী বাজারে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে ফয়সালের আপন ভাই ও মামার সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে জানা গেছে।
অভিযানকালে ফয়সাল হোসেনের কাছ থেকে ২ পিস ইয়াবা ও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থলে প্রাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও অপরাধের মাত্রা বিবেচনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন রাণীশংকৈল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মজিবুর রহমান। এদিকে, উমরাডাঙ্গী বাজারসহ আশপাশের এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের খবরে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। তবে একই সঙ্গে এলাকায় মাদক সরবরাহ ও সেবন নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির ছত্রচ্ছায়ায় এলাকায় মাদক কেনাবেচা ও সেবনের প্রবণতা বাড়ছে। এতে স্কুল-কলেজপড়ুয়া কিশোর ও বেকার তরুণদের একটি অংশ মাদকের প্রতি ঝুঁকে পড়ছে। মাদকের অর্থ জোগাড় করতে গিয়ে কেউ কেউ বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডেও জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ তাদের। স্থানীয়দের ভাষ্য, ফয়সালের কাছ থেকে ইয়াবার পাশাপাশি সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় মাদক সেবনের একটি চক্র সক্রিয় থাকার বিষয়টি সামনে এসেছে। সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আনাগোনা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে তাদের মধ্যে। তাদের দাবি, শুধু বিচ্ছিন্নভাবে মাদকসেবীদের আটক ও সাজা দিলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। মাদকের সরবরাহের উৎস চিহ্নিত করে এর সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি উমরাডাঙ্গী বাজার ও আশপাশের এলাকায় নিয়মিত নজরদারি ও পুলিশি টহল বাড়ানো প্রয়োজন।
স্থানীয়দের মতে, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান মাদকবিরোধী কার্যক্রমে তাৎক্ষণিকভাবে ইতিবাচক বার্তা দিলেও মাদক সরবরাহের মূল উৎস ও সংশ্লিষ্ট চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তা না হলে মাদকের বিস্তার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে। উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতা ও তথ্য দিয়ে পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে রাণীশংকৈল উপজেলাকে মাদকমুক্ত করার কার্যক্রম আরও জোরদার করা সম্ভব।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার উমরাডাঙ্গী বাজারে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে ফয়সালের আপন ভাই ও মামার সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে জানা গেছে।
অভিযানকালে ফয়সাল হোসেনের কাছ থেকে ২ পিস ইয়াবা ও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থলে প্রাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও অপরাধের মাত্রা বিবেচনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন রাণীশংকৈল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মজিবুর রহমান। এদিকে, উমরাডাঙ্গী বাজারসহ আশপাশের এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের খবরে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। তবে একই সঙ্গে এলাকায় মাদক সরবরাহ ও সেবন নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির ছত্রচ্ছায়ায় এলাকায় মাদক কেনাবেচা ও সেবনের প্রবণতা বাড়ছে। এতে স্কুল-কলেজপড়ুয়া কিশোর ও বেকার তরুণদের একটি অংশ মাদকের প্রতি ঝুঁকে পড়ছে। মাদকের অর্থ জোগাড় করতে গিয়ে কেউ কেউ বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডেও জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ তাদের। স্থানীয়দের ভাষ্য, ফয়সালের কাছ থেকে ইয়াবার পাশাপাশি সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় মাদক সেবনের একটি চক্র সক্রিয় থাকার বিষয়টি সামনে এসেছে। সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আনাগোনা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে তাদের মধ্যে। তাদের দাবি, শুধু বিচ্ছিন্নভাবে মাদকসেবীদের আটক ও সাজা দিলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। মাদকের সরবরাহের উৎস চিহ্নিত করে এর সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি উমরাডাঙ্গী বাজার ও আশপাশের এলাকায় নিয়মিত নজরদারি ও পুলিশি টহল বাড়ানো প্রয়োজন।
স্থানীয়দের মতে, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান মাদকবিরোধী কার্যক্রমে তাৎক্ষণিকভাবে ইতিবাচক বার্তা দিলেও মাদক সরবরাহের মূল উৎস ও সংশ্লিষ্ট চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তা না হলে মাদকের বিস্তার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে। উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতা ও তথ্য দিয়ে পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে রাণীশংকৈল উপজেলাকে মাদকমুক্ত করার কার্যক্রম আরও জোরদার করা সম্ভব।
হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি